সেই ইতালিয়ান পাসপোর্টধারীকে ঢুকতেই দিলেন না ইতালিয়ানরা। তিনি এখন ডিপ্রেশনে


পুরো পৃথিবীকে যেন বশ করে নিয়েছে এক অদৃশ্য শক্তি । এ এমন এক শক্তি যাকে দেখা যায় খালি চোখে । এই পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজারের কাছাকাছি। এই ভাইরাসের উৎপত্তি চীনের উহান শহরে । সেখান থেকেই ছড়িয়ে যায় এই ভাইরাস পুরো বিশ্বে। বাংলাদেশে এই ভাইরাসের আগমন প্রবাসীদের প্রবেশ করার সাথে ঘটেছে বলে ধারণা করেছেন বিশিষ্টজনেরা।

 সেই ইতালিয়ান পাসপোর্টধারীকে ঢুকতেই দিলেন না ইতালিয়ানরা। তিনি এখন ডিপ্রেশনে


আমাদের দেশে যখন একজন করোনা রোগীও ছিলোনা কিন্তু অন্যান্য দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়েছিল তখন ও আমরা সচেতন হইনি । আমরা আমাদের বহির্বিশ্বের ফ্লাইট বন্ধ রাখিনি যার কারণে আমাদের দেশ থেকে বিদেশে যাওয়া প্রবাসীরা একে একে দেশে ফিরে আসছিল করোনার ঝুকি নিয়েই । সে সময়ই ডুবাই হয়ে ইতালির একটি ফ্লাইট আসে বাংলাদেশে এবং তাদেরকে সেখানেই কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয় । নিশ্চিত ঝুকি জেনে তাদেরকে দেশে ঢুকতে দেয়া হচ্ছিলো না দেশের নিরাপত্তা স্বার্থে । দেশে প্রেবেশে বাধা দেয়ার কারণে তখন এক ইতালিয়ান প্রবাসী এক পুলিশ কর্মকর্তাকে টার্গেট করে সমানে দেশকে গালি দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন আই পাক ইউর সিস্টেম । তার মত একজন স্পেশ্যাল গেস্টকে দেশে ঢুকতে না দেয়ায় তিনি বলেন আই এম ইতালিয়ান পাসপোর্টধারী । যে কারণে তার উপর চড়াও হয় দেশের মানুষ। বর্তমানে ইতালি তার অবস্থা শিথিল করতে পারায় সকল ফ্লাইট চালু করেছে কিন্তু বাংলাদেশীদের ভুয়া সার্টিফিকেটের কথা সব জায়গায় প্রচারিত হওয়ায় তারা কোন বাংলাদেশীকেই তাদের দেশে ঢুকতে দিচ্ছেননা। যার ভুক্তভোগী হয়েছেন আই এম পাসপোর্টধারী বলা ব্যাক্তিও। এখন আমাদেরকে বুঝতে হবে এই ভোগান্তির জন্য দায়ী কারা। করোনার মত এই রকম একটি মহামারীর সময়েও থেমে নেই আমাদের নীতি নষ্ট করার কাজ যাকে এক কথায় বলে দুর্নীতি। সমাজে এই ধরনের দুর্নীতি গ্রস্থদের কারণেই আমরা আজ পুরো বিশ্ববাসীর কাছেই কলুষিত।

 সেই ইতালিয়ান পাসপোর্টধারীকে ঢুকতেই দিলেন না ইতালিয়ানরা। তিনি এখন ডিপ্রেশনে


আমাদের এই ধরনের নোংরা মানসিকতা সম্পন্ন মানুষের ন্যুনতম লজ্জা থাকা উচিত যে তাদের কারণে ইতালি আজকে আমাদেরকে এই রকম বাজে চোখে দেখা শুরু করেছে এতে লজ্জিত আমাদের ইতালির প্রবাসী অন্যান্য ভাই বোনেরা।  আর সবারই একটা জিনিস মাথায় রাখা উচিত এক হাতে তালি বাজেনা তাই দোষ দুই পক্ষেরই আছে যে ভুয়া সার্টিফিকেট নিতে টাকা দিয়েছে এবং যারা ভুয়া সার্টিফিকেট তৈরি করেছে। তাই এক পক্ষকে দোষ দিয়ে লাভ নেই কারণ এদের যে কোন এক পক্ষ সৎ থাকলে দুর্নীতি অসম্ভব। তাই আমাদের সকলকেই নিজেদের জায়গা থেকে সৎ থাকার চেষ্টা করতে হবে। শুধু ঢালাওভাবে সরকারকে দোষ দিলেই হবেনা। আমি আপনি যদি ভুয়া সার্টিফিকেটের দাবি না করি তাহলে ভুয়া সার্টীফিকেট তৈরিকারীরা কার কাছে এগুলো বক্রি করবে? বাংলাদেশের সরকারি সেক্টরের কথা বিবেচনায় আনলে আমরা সবাই জানি এইখানে দুর্নীতির মাত্রা কেমন!! এর মধ্যে যদি আমরা নিজেরাই তাদেরকে সুযোগ করে দেই দুর্নীতির মাধ্যমে সমাজকে কলুষিত করার তাহলে এই দেশ কোনদিন দুর্নীতিমুক্ত হতে পারবেনা বললে ভুল হবে না।আমি ইতালি ফেরত সেই সকল প্রবাসী ভাইবোনদেরকে অবশ্যই বলব এই রকম জঘণ্য একটা কাজের দায় তারাও এড়াতে পারবেনা কারণ তারাও নিজেরা ইতালিতে দ্রুত ফিরে যাবার জন্য এই অবৈধ পন্থা অবলম্বন করতে বাধ্য হয়েছে যেটার মাধ্যমে দুর্নীতির অর্ধেক কাজ তারাই সম্পন্ন করে দিয়েছে তাই এখন শুধু সরকারের দোষ দিয়ে নিজেদেরকে সাধু ভাবারও কোন কারণ নেই। আপনাদের মত কিছু মানুশের কারণে যারা ইতালিতে এখনো অবস্থানরত তারা সকলের কাছে এখন অপমানিত।

সেই ইতালিয়ান পাসপোর্টধারীকে ঢুকতেই দিলেন না ইতালিয়ানরা। তিনি এখন ডিপ্রেশনে
 সেই ইতালিয়ান পাসপোর্টধারীকে ঢুকতেই দিলেন না ইতালিয়ানরা। তিনি এখন ডিপ্রেশনে


তাই সকলের প্রতি এক প্রকার অনুরোধের সুরেই বলতে হচ্ছে আপনারা যারা দুর্নীতি করার পথ সুগম করে দিচ্ছে তারা দয়া করে দেশের সম্মানের স্বার্থে এইসব পথ বর্জন করুন এর মাধ্যমে দেশের মান উন্নত হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে উন্নতির চরম শিখরের দিকে।

১০ জুলাই ২০২০

Post a Comment

0 Comments