অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায় । অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি

স্বপ্নদোষ একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেটার প্রায় সকল পুরুষেরই রয়েছে। স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ একটি ব্যাপার হলেও অতিরিক্ত স্বপ্ন দোষ কিন্তু সাধারণ ব্যাপার না। অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণে একজন পুরুষ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে এমনকি সন্তান জন্মদান ক্ষমতাও হ্রাস পেতে পারে। আজকে আমরা জানব 

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ,
স্বপ্নদোষের প্রতিকার,
স্বপ্নদোষের উপকারিতা,
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি,
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায়,
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের চিকিৎসা,
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ এর কারন,
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ ও প্রতিকার,
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কমানোর উপায়,


 

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ, স্বপ্নদোষের প্রতিকার, ঘনঘন স্বপ্নদোষ, স্বপ্নদোষের উপকারিতা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ঔষধ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের চিকিৎসা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ এর কারন, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করব, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ ও প্রতিকার, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কমানোর উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে রক্ষার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির উপায়
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায় । অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি

 

স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ

 

স্বপ্নদোষ পুরুষ এবং নারীর উভয় ক্ষেত্রে হলেও পুরুষের বেলায় ব্যাপারটি ভিন্ন কারণ পুরুষের স্বপ্নদোষে বীর্য ক্ষরণ হলেও নারীর বেলায় এমনটি ঘটে না। সাধারণত পুরুষের বয়সন্ধিকালীন সময় থেকে শরীরের মধ্যে শুক্রানু তৈরি হতে থাকে যে কারণে বয়সন্ধিকালীন সময় থেকেই পুরুশের স্বপ্নদোষ শুরু হয়। স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ আসলে কোন বাজে স্বপ্ন দেখা নয় বরং স্বপ্নদোষের কারণেই মানুষ এই রকম স্বপ্ন দেখে। আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের শরীর আমাদের মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে তখন যদি আমাদের প্রসাবের বেগ পেতে শুরু করে অথবা কোন কারণে (হতে পারে যৌনাঙ্গে ঘর্ষণ অথবা নাড়াচাড়ার ) উষ্ণ অনুভূতির সৃষ্টি হলে এই রকম অনাকংখিত বীর্যপাত হয়ে যেতে পারে। তবে এই ধরনের বীর্যপাত বেশিরভাগ সময়ই মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনে। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন আমাদের শরীরের বর্জ্য নিঃসরণ কাজ কিন্তু বন্ধ থাকে না। আর এই কাজ আমাদের দেহের কিডনির মাধ্যমে সঞ্ছালিত হয়। শরীরের মধ্যে থাকা সকল প্রকার ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ করতে ঘুমের মধ্যেও আমাদের কিডনি কাজ করে এবং এটা ঘামের মাধ্যমে অথবা বীর্যের মাধ্যমেও শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সহায়তা করে। তাই সাধারণত স্বপ্নদোষ একটি সাধারণ বিষয় হিসেবেই ধরে নেয়া হয়।


অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ, স্বপ্নদোষের প্রতিকার, ঘনঘন স্বপ্নদোষ, স্বপ্নদোষের উপকারিতা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ঔষধ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের চিকিৎসা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ এর কারন, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করব, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ ও প্রতিকার, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কমানোর উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে রক্ষার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির উপায়
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায় । অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি



অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ


স্বপ্নদোষ একটি সাধারণ ব্যাপার হলেও অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কোন সাধারণ বিষয় নয়। সাধারণত সপ্তাহে একবারের বেশি এবং মাসে ৬ বারের বেশি যদি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে ধরে নিবেন আপনার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হচ্ছে। এখন অতিরিক্ত স্বপ্নদোষে একজন পুরুষ মানুষ নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। এগুলো হলঃ

 

শরীরে দুর্বলতা অনুভব করা ,

কাজে মন না বসা,

যৌন জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হওয়া,

অতিরিক্ত বীর্য শরীর থেকে বের হোওয়ার কারণে সাংসারিক জীবনে তিক্ত অভিজ্ঞতা,

মানসিকভাবে সারাক্ষণ দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকা,

হাটাচলায় সমস্যা হওয়া। ইত্যাদি।


অতিরিক্ত বীর্যক্ষরনের কয়েকটি সাধারণ দিক রয়েছে। আপনি যদি রাতে ঘুমানোর আগে খারাপ ছবি দেখেন তাহলে স্বপ্নদোষের সম্ভাবনা বাড়ে। রাতে খাবার খাওয়ার পর সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়লেও স্বপ্নদোষ হতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে কোন নারীকে দেখে কামুক অনুভূতির সৃষ্টি হলে স্বপ্নদোষ হতে পারে। তাছাড়া যৌন উত্তেজক কোন ভিডিও দেখেন অথবা লেখা যদি ঘুমানোর আগে পড়েন ্তাহলেও স্বপ্নদোষ হতে পারে। মূলত স্বপ্নদোষ হওয়ার দুটি কারণ হতে পারে একটি হচ্ছে শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দেওয়া তখন অনেকের যৌন উত্তেজনা নাও হতে পারে এবং আরেকটি হচ্ছে ইচ্ছাকৃত ভাবে নিজের মস্তিষ্ক থেকে শরীরে বার্তা প্রেরণ করা যার মাধ্যমে যৌনাঙ্গে উষ্ণ অনুভূতির সৃষ্টি হয়। এই কাজ গুলো করার মাধ্যমে আপনার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা ঘুমানোর আগে রেগুলার পর্ণ ভিডিও দেখে ঘুমায় তাদের স্বপ্নদোষ সাধারণত যারা এগুলি ঘুমানোর আগে দেখে না তাদের চাইতে দ্বিগুন হয়। সুতরাং এই গবেষণা থেকেই এটা পরিষ্কার যে ঘুমানোর আগে মস্তিষ্ককে এই ব্যাপারে ভাবাতে বাধ্য করলে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হতে পারে।


অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ, স্বপ্নদোষের প্রতিকার, ঘনঘন স্বপ্নদোষ, স্বপ্নদোষের উপকারিতা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ঔষধ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের চিকিৎসা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ এর কারন, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করব, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ ও প্রতিকার, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কমানোর উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে রক্ষার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির উপায়
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায় । অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি

 

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি


অতিরক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচতে হলে আগে আপনাকে জানতে হবে কেন এই অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হচ্ছে। সাধারণত উপরে উল্লিখিত কারণ গুলোর জন্যই অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলেও কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ইন্যান্য শারীরিক অসুস্থতার কারণেও অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সাধারণত নিজের লাইফ স্ট্যাইল পরিবর্তন করার মাধ্যমেই বেশিরভাগ মানুষ এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারে। এর জন্য আপনি নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম ও ধ্যান কুরতে পারেন। যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এমন কর্মকান্ড এড়িয়ে চলতে পারেন। ঘুমানোর আগে সকল প্রকার পর্ন মুভি দেখা থেকে বিরত থকুন। রাতে ভালো খুম হোওয়ার জন্য আপনি মধু খেতে পারেন অথবা তেল মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করতে পারেন। এগুলো করার পরেও যদি আপনার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে আপনার শরীরে অন্য কোন সমস্যা থাকতে পারে সেটা হতে পারে কোন হরমোনজনিত সমস্যা অথবা অন্য কোন শারীরিক সমস্যা। তাই এই রূপ পরিস্থিতিতে পড়লে আপনাকে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং নিজের সমস্যার কথা খুলে বলতে হবে এবং মনে রাখতে হবে এই ব্যাপারে লজ্জা পেলে সারাজীবন আফসোস করতে হবে। তাই অতিরিক্ত সমস্যা অনুভব করলে আজই আপনার নিকটস্থ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ, স্বপ্নদোষের প্রতিকার, ঘনঘন স্বপ্নদোষ, স্বপ্নদোষের উপকারিতা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ঔষধ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের চিকিৎসা, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ এর কারন, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করনীয়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি করব, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ ও প্রতিকার, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারণ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোধের উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কমানোর উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে রক্ষার উপায়, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির উপায়
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে বাচার উপায় । অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কি


স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক বিষয়। অনেক সময় স্বপ্নদোষ কমানোর জন্য বয়সন্ধিকালীন ছেলেরা হস্তমৈথুনে মনোযোগী হয় যা তদের শরীরের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলাফল যৌন দুর্বলতা অথবা সন্তান জন্মদানে অক্ষমতা এবং দাম্পত্য জীবনে অসুখী হওয়া। হস্তমৈথুনের মাধ্যমে জোর করে শরীর থেকে শুক্রাণু বের করে দেয়া হয় যার ফলে শরীর অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। শুধু ছেলেদের ক্ষেত্রেই নয় মেয়েদের ক্ষেত্রেও হস্তমৈথুনের কুফল ভয়াবহ। নারীর হস্তমৈথুনের ফলে তার ডিম্বানু ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে যা সন্তান জন্মদানে বাধা দিতে পারে এমনকি নারী বন্ধ্যাও হয়ে যেতে পারে। তাই একটি সমস্যা সমাধানে আমরা অবশ্যই আরেকটি বড় ভুল করব না। তাই এই রকম কোন সমস্যা দেখা দিলে উপরে উল্লিখিত নিয়ম অনুসড়ণ করুন অথবা বেশি সমস্যা দেখা দিলে কোন ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিন।নিজে সুস্থ্য থাকুন দেশটাকেও সুস্থ্য রাখুন। ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

 

 

 ১০ আগস্ট ২০২০

প্রতিবেদকঃ সাফিন আফনান


Post a Comment

0 Comments